রমজান উপলক্ষে ভারত থেকে এক সপ্তাহে ১ হাজার ৪০৩ টন ছোলা আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে টিসিবির আওতায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি পর্যায়ে ৪০০ এবং বেসরকারি পর্যায়ে ১ হাজার ৩ টন কাঁচা ছোলা আমদানি হয়েছে। বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন। পাঁচটি চালানের বিপরীতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গত এক সপ্তাহে এসব ছোলা আমদানি করা হয়েছে। 

টিসিবির আওতায় চার হাজার টন কাঁচা ছোলা আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমদানি খরচ প্রতি কেজি ৮৫ টাকা পড়লেও ৪৫ টাকা ভর্তুকি দিয়ে ৫৫ টাকায় দরে খোলাবাজারে টিসিবির কার্ডধারীদের মধ্যে বিক্রি করা হবে। এছাড়া রমজানে ছোলার পাশাপাশি ডাল, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুর বিক্রি করবে টিসিবি। 

সরকার ২০২২ সাল থেকে এক কোটি নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে টিসিবির মাধ্যমে কম মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি করে আসছে। 

সরকার ব্যবসায়ীদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচা ছোলা আমদানির সুযোগ দিলেও তার সুফল পাচ্ছেন না ক্রেতারা। গত বছর ছোলার কেজি ৭৫-৮০ টাকা থাকলেও এবার তা বেড়ে ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতার আশা, সরকারিভাবে আমদানির ফলে বাজারে ছোলার দাম কমে আসবে। 

বেনাপোল আমদানি রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, ‘রোজায় টিসিবির অর্ধেক দামের পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষ পেলে খুব উপকৃত হবে। পাশাপাশি বেসরকারিভাবে ছোলাসহ অন্য খাদ্যপণ্য আমদানি করলে খুচরা বাজারে দাম কমে আসবে।’ 

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক রেজাউল করিম (ট্রাফিক) বলেন, ‘পবিত্র রমজান উপলক্ষে ছোলাসহ খাদ্যদ্রব্যের আমদানি বেড়েছে। বন্দর থেকে যাতে এসব পণ্য দ্রুত ছাড় হয় সেজন্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।’ টিসিবির একজন কার্ডধারী এতদিন ৩০ টাকা কেজি দরে মাসে পাঁচ কেজি চাল, ১০০ টাকা লিটার দরে দুই লিটার ভোজ্যতেল এবং ৬০ টাকা কেজি দরে দুই কেজি মসুর ডাল কিনতেন। এখন থেকে তার সঙ্গে ৫৫ টাকা কেজি দরে এক কেজি ছোলা যোগ হলো।