তিনি বলেন, ‘প্রকৃত কৃষকরা এসব কোল্ড স্টোরেজে আলু, বীজ, ডিমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। এ উদ্যোগের ফলে কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে, সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়বে এবং কৃষি আরো লাভজনক হবে।’

গতকাল বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার এলাকায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় বিনামূল্যে হাইব্রিড সোলার অপারেটেড মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের পাইলট প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত এ উদ্যোগকে কচুয়ার কৃষি উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অন্যতম আলু উৎপাদনকারী অঞ্চল কচুয়া। পাশাপাশি রবি মৌসুমে এখানে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের যে সংকট ছিল, তা দূর করতে সরকার পরীক্ষামূলকভাবে এ মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করেছে।’

মন্ত্রী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বাজারের উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সব দাবি আদায়ের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাজার সমিতি এমনভাবে পরিচালিত হবে, যেখানে সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রতিটি বাজার সমিতিই হবে সেই বাজারের সংসদ। আমরা সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। অতীতের সঙ্গে বর্তমানের পার্থক্য মানুষ আজ অনুভব করছে। এখন ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছেন, কেউ অযথা হয়রানি করছে না।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৈকত দাসসহ স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কৃষকদের মধ্যে হাইব্রিড সোলার অপারেটেড মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ করা হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।