জনসমুদ্রে পরিণত হওয়া রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বেলা পৌনে তিনটার দিকে পৌঁছায় খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়ি। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন গাড়ি থেকে নামিয়ে রাখা হয় জানাজাস্থলে বানানো অস্থায়ী মঞ্চে। সামনের সারিতে তখন দাঁড়িয়ে ছিলেন ছেলে তারেক রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং সরকার ও রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জানাজা শুরুর আগে খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে সংক্ষেপে বর্ণনা দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তুলে ধরেন আপসহীন এই নেত্রীর রাজনৈতিক, পারিবারিক ও সংগ্রামী জীবনের কথা। নজরুল ইসলাম খানের পর জানাজায় উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশে কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবত থাকা অবস্থায় যদি কারও কাছে থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে উনি জীবিত থাকা অবস্থায় ওনার কোনো ব্যবহারে, কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। দোয়া করবেন, আল্লাহ যাতে তাঁকে বেহেশত দান করেন।’

তারেক রহমানের বক্তব্যের পর বিকেল ৩টার দিকে জানাজা শুরু হয়। জানাজা পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। এরপর খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়ি রওনা হয় জিয়া উদ্যানের দিকে। সেখানে স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হবে।