তিনি বলেন, ‘কৃষি ও কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।’

গতকাল রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসী ও সাংবাদিক সমাজকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নতুন উদ্দীপনায় দেশ গঠনের কাজ শুরু করেছে।

তিনি জানান, মোগল আমলে কৃষি উৎপাদন ও খাজনা আদায়ের সমন্বয়ের প্রয়োজন থেকেই বাংলা সনের প্রবর্তন হয়। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সরকার এবার পহেলা বৈশাখকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের আনুষ্ঠানিক সূচনার দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। আর সে লক্ষ্যেই আমাদের স্লোগান—সবার আগে বাংলাদেশ।’

নববর্ষ উদযাপনে সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জানান, এটি দেশে স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রতিফলন। এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উন্নয়ন এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, ‘নতুন সরকার, নতুন বছর ও নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা—সব মিলিয়ে এবারের বৈশাখ ভিন্ন আবহে উদযাপিত হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। তিনি বলেন, ‘গত বছরগুলোর তুলনায় এবার পহেলা বৈশাখ উদযাপনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বেশি ছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফজলুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠান শেষে তথ্যমন্ত্রী ডিআরইউ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচের উদ্বোধন করেন এবং পরে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।