সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল
করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে নবম থেকে ১৩তম গ্রেডে
৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে।
২০২১ সালে জারি করা এ সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বুধবার (৫
জুন) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি)
এবং ১০ম থেকে ১৩ তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে
মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে; এবং নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে
১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা
পদ্ধতি বাতিল করা হলো।
পরে ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী।
ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সরকারি চাকরির
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা
করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মুনসুরুল হক
চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান। তিনি বণিক
বার্তাকে বলেন, টোটাল যে কোটা সিস্টেম ছিল, সে সিস্টেম বাতিল করে ২০১৮ সালে প্রজ্ঞাপন
হয়েছিল, সেটা চ্যালেঞ্জ করে একটা রিট ইস্যু হয়েছিল। সে রিটের রুল আজ মীমাংসা হলো।
এতে করে মুক্তিযোদ্ধাসহ সব কোটা আবার বহাল হলো।










