মোবাইল আর্থিক সেবা নগদে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশাসক নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থ সচিবকে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
গতকাল হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফারহাদ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। নগদের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলমের দায়ের করা একটি রিটে পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করা হয়। সাফায়েত আলমের পক্ষে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বের একটি আইনজীবী প্যানেল এ রিট পরিচালনা করেন। প্যানেলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল), ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। ১০ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতে রিটটি দায়ের করেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
হাইকোর্টের এ রুলিং নিয়ে নগদের প্রতিষ্ঠাতা তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক প্রতিষ্ঠান নগদে আইনবহির্ভূতভাবে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। “নগদকে ধ্বংস করে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি সুবিধা দিতেই পরিকল্পিতভাবে এ কাজ করা হয়েছে। মাস দুয়েক আগেও নগদে গড়ে দিনে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা এখন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অসীম ক্ষমতা ও দায়িত্ব রয়েছে। তবে আইনবিরুদ্ধ কোনো কাজ তারা করতে পারেন না। আমরা এ ঘটনার প্রতিকার চাইতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। প্রশাসক নিয়োগ অবৈধ ঘোষণার পাশাপাশি এটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতেই এ রিট করা হয়েছে।’
২০১৭ সালে ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ২০১৯ সালের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে নগদ।










