পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, ‘দেশের শাসনতন্ত্র মেনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো বিদেশী শক্তির পরামর্শে বাংলাদেশ চলে না। আমরা একটা শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা কিছু প্রয়োজন আমরা তার সবকিছুই করেছি।’
সিলেটের আরটিএম আল-কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান শেষে গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন করব আমাদের আইনের নিয়মে, আমাদের শাসনতান্ত্রিক নিয়মে। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়, সেজন্য আমরা অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা ফটো আইডির ভোটার তৈরি করেছি। কারণ ওই আজিজ মার্কা ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার আমরা করতে চাই না, সেজন্য এখন ফটো আইডি। আঙুল দেবেন আপনার ব্যালটটা বের হবে। এর উদ্দেশ্য ভুয়া ভোট যাতে না হয়। আমরা ট্রান্সপারেন্ট ব্যালট বক্স তৈরি করেছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘নির্বাচনের আগে মনে হয় তড়িঘড়ি করে কোনো দেশের সঙ্গেই নতুন চুক্তি করবে না বাংলাদেশ। এতে দেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। দেশ এখন একটি পজিশন নিয়ে আছে। আমরা ব্যালান্সড বৈদেশিক নীতি মেনে চলছি।’
ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের যোগ দেয়া প্রসঙ্গে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে। সেখানে যোগ দেয়ার কথা আছে। সেই সঙ্গে ব্রিকস সদস্যপদ অফার করলে আমরা সেটি গ্রহণ করব।’
তিনি বলেন, ‘ব্রিকসের ওই বড় অনুষ্ঠানে ৭০টি দেশের মন্ত্রী কিংবা তাদের ঊর্ধ্বে বহু প্রেসিডেন্ট, বহু হেড অব গভর্নমেন্ট অ্যাটেন্ড করবেন। সে কারণেই এ বছর ব্রিকসের মধ্যে আলাপ হচ্ছে, তারা এক্সপানশন করবে কিনা? নাও যদি করে, এতগুলো দেশের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাবেন, চীনের প্রেসিডেন্ট যাবেন, লুলা সাহেব আসবেন, ইটস আ গুড প্লেস ফর অনেক ধরনের আলাপ-আলোচনা।’










