অতীতে রিজার্ভের সংকট এবং বৈদেশিক মুদ্রার অভাব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকার উভয়ের ওপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। এ পরিস্থিতি উত্তরণে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাবকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও সঠিক পর্যবেক্ষণ বলে মনে করছি।
এছাড়া রফতানি খাতের ‘মাল্টিপ্লায়ার ইমপ্যাক্ট’-এর ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এ খাত একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রফতানি খাতের মাল্টিপ্লেয়ার একাধারে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে এবং একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসে। সেখানে আমাদের একটা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান রয়েছে, বিশেষ করে পোশাক ক্ষেত্রে। কিন্তু বর্তমানে এ সেক্টর জ্বালানি নিরাপত্তার অভাবেই ভুগছে। এ কারণে এ খাতের প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এটার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিষয়টি হচ্ছে বাংলাদেশের রেটিং। আমরা দেখেছি যে বাংলাদেশের রেটিংয়ের অবনমন হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিংয়ের অবনমন সম্পর্কিত। আন্তর্জাতিকভাবে যখন বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে গেছে বলে মনে করা হয়, সেটার একটা সিগনালিং ইমপ্যাক্ট আছে।
এ রেটিং হ্রাসের ফলে আর্থিক খরচ বাড়ছে, যা সরাসরি ব্যবসার খরচ বা ‘কস্ট অব ডুইং বিজনেস’-এর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সুতরাং রফতানি বহুমুখীকরণ এবং দেশের ক্রেডিট রেটিংয়ের উন্নয়ন—দুটি বিষয়ে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।















