দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গণশুনানিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মোট
৩৪টি সরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে ৬০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ৬০টি সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ শুনানির জন্য সেবাপ্রার্থী জনসাধারণ সরাসরি উপস্থাপন করেছেন। এগুলো থেকে তিনটি
অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য ও একটি অভিযোগ গোয়েন্দা অনুসন্ধানের জন্য নেয়া হয়েছে।
এছাড়া সাতটি অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান, আটটি অভিযোগের
১০ দিনের মধ্যে দুদকের কাছে প্রতিবেদন দাখিল, ১২টি অভিযোগের সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন,
তিনটি অভিযোগের চার দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল এবং ২৪ টি অভিযোগের অন্যান্য সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩ জুন) ঠাকুরগাঁও জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে এ গণশুনানি
অনুষ্ঠিত হয়।
দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের তফশিলভুক্ত
অভিযোগগুলোকে দুদক মনিটর করবে। এ ধরণের গণশুনানি চলমান থাকবে। এর ফলে সমাজে জনসচেতনতা
বৃদ্ধি পাবে এবং সমাজে একটি দুর্নীতিবিরোধী অবস্থা তৈরি হবে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো
দুর্নীতিমুক্ত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের মডারেশনে এ গণশুনানিতে আরো
বক্তব্য রাখেন দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন, রংপুর বিভাগের পরিচালক
মো. তালেবুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি প্রফেসর সৈয়দ
মুহাম্মদ আলী হুসাইন, ঠাকুরগাঁও জেলার পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।
গণশুনানিতে হাসপাতাল, বিএডিসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, পল্লী
বিদ্যুৎ সমিতি. আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, জেলা শিক্সা অফিস, পৌরসভা, বিসিক, উপজেলা সেটেলমেন্ট
অফিস, সাব-রেজিস্ট্রার, জেলা রেজিস্ট্রার, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, ভূমি অফিস, পুলিশ
বিভাগ, নির্বাচন অফিস, বিআরটিএ, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিস, গণপূর্ত, নেসকো, ঠাকুরগাঁও
সুগার মিলস, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তর অংশ নেয়।










