দেশের ছয়টি জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অনেকে। গত ২৪ ঘণ্টায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য ও শিক্ষার্থীও রয়েছেন। প্রতিনিধিদের খবর—
মাদারীপুর: সদর উপজেলার পখিরা গ্রামে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান উল্টে আবদুস সালাম (৪০) নামে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি শিবচর থানায় কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে চার পুলিশ সদস্যকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিয়া রফিক ভাবনা জানান, মাদারীপুর থেকে শিবচরগামী গাড়িটি একটি সাত বছরের শিশু ও তার বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
সিরাজগঞ্জ: সদর উপজেলার চন্ডিদাসগাঁতী বাজারে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে নাদিয়া (১৯) নামে এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। তিনি সিরাজগঞ্জ সরকারি রাশিদাজ্জোহা মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। এতে সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ আরো তিনজন আহত হন। সিএনজি অটোরিকশা পেছনের চাকা খুলে নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. রাকিবুল হাসান।
গাইবান্ধা: জেলাটিতে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। সাদুল্লাপুর-মাদারগঞ্জ সড়কে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম রব্বানী (৩৫) মারা যান। তিনি সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজের হিসাবরক্ষক ছিলেন। এ ঘটনায় তার ১২ বছরের ছেলে আহত হয়। অন্যদিকে পলাশবাড়ীর পাকোয়া ব্রিজ এলাকায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাসুদ রানা (৩৫) নামের এক গাড়িচালক নিহত হন। এতে আহত হন আরো একজন।
চট্টগ্রাম: মিরসরাইয়ের চৌধুরীহাট হাইওয়ে থানার সামনে ট্রাকের ধাক্কায় দেবরাজ বণি নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এতে তার বাবা আশীষ বণিক আহত হন। ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জোরারগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হালিম।
ময়মনসিংহ: সদর উপজেলার আলালপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া ত্রিশালের বৈলর বড় পুকুর এলাকায় অজ্ঞাত ট্রাকের চাপায় ইমাম হোসেন (৪২) নামের এক পথচারী মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেন ত্রিশাল থানার এসআই আল আমীন।










