এক্ষেত্রে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী। গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে বিপিএমসিএর বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ বাঁচাতে হলে ভালো ভালো ডাক্তার বানাতে হবে। এ ব্যাপারে মোটিভেশন চালাতে হবে বেসরকারি মেডিকেল খাতকে। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সেলিং করতে হবে, যেন তারা চাপের মুখে হতাশায় না ভোগে। বর্তমানে দেশের হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ২০ এপ্রিল সারা দেশে টিকা দেয়া হবে। এক্ষেত্রে ডাক্তাররা যথেষ্ট ত্যাগ ও ধৈর্য নিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনাকালে তারা রোগীদের জন্য অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন।’
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এমপিকে উষ্ণ সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।
বিপিএমসিএর সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবির তালুকদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিপিএমসিএর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, সহসভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর, ইউনিভার্সল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী।
এ সময় বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বিকালে বিপিএমসিএর ১৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত হয়।










