সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক, শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও তথ্য ও সাবেক প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর মধ্যে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে শেয়ার বাজারে জালিয়াতি, প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে শেয়ার হোল্ডারদের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট, অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক হতে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণপূর্বক আত্মসাতসহ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রেয়েছে।
সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে,
তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনৈতি ক কার্যক্রমসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার টিআর ২ কোটি ২৯ লাখ ৮৪,৭৯ টাকা, কাবিখা ও কাবিটা ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৬ টাকা ও ২৬০ টন গম এবং ২৩৪ টন চাল বরাদ্দকৃত বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে আত্মসাত করেছেন।
অন্যদিকে সাবেক পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যক্রমসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৫ বছর মেয়াদী ১ হাজার ৫০২ কোটি টাকার সুফল প্রকল্পটিতে মন্ত্রী ও তার ছেলে ১০ শতাংশ কমিশন নিয়ে ঠিকাদারদের কাজ দেন।
বিভিন্ন খাতে ভুয়া খরচ দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। ৮০-৯০ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে বন কর্মকর্তাদের বদলি ও পোস্টিং করেন। এছাড়া পরিবেশ দূষণে মারাত্মক প্রভাব রয়েছে এ রূপ তরল বর্জ্য সৃষ্টিকারী বিভিন্ন কল-কারখানায় ইটিপি পরিদর্শন না করেই তারা সার্টিফিকেট প্রদান করেন।
এছাড়া নসরুল হামিদ বিপু এবং জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।










