প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তেহরান। জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত বৈঠককে অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে ঢাকার সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ডা. জলিল রহিমি জাহানাবাদি।
আজ ঢাকায় ইরান দূতাবাসে মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রদূত। এসময় বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের যোগাযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘে তারেক রহমান ও মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়েও বৈঠক হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে তার নিজেরও ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের অবস্থানকে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে ইরান। রাষ্ট্রদূতের মূল্যায়ন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকার ইরানকে বস্তুগত ও রাজনৈতিক সমর্থন দিয়েছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং নতুন সরকারের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ঢাকার কূটনৈতিক অবস্থানকে বিচক্ষণ ও গ্রহণযোগ্য মনে করে তেহরান।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, ইরান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে দেখে। এসময় বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন ও ভ্রাতৃত্ববোধের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রদূত ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার, জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদল এবং কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
তবে তারেক রহমান ও পেজেশকিয়ানের বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কোনো সমঝোতা হয়েছে কিনা কিংবা পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা কী, সে বিষয়ে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানাননি রাষ্ট্রদূত।















