রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন মূল পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি লালবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলো-মো. রায়হান উদ্দিন (৩৫), রাসেল খান (৩২), আলাউদ্দিন (২৮) ও আবদুল্লাহ (২৮)।
আজ রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনের রাস্তায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একজন পথচারী গুরুতর আহত হন। ওই বিস্ফোরণের ঘটনার পর যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ও ডিবি’র ওয়ারী বিভাগ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করেন। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থেকে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেফতার করে ডিবি’র একটি দল। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে লালবাগ থানার অন্তর্গত জেন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিং এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি। এ সময় পার্কিং এলাকার একটি পিলারের পাশে রাখা ইটের খোয়ার বস্তার ভেতর থেকে লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো অবিস্ফোরিত চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিবি জানায়, রায়হান এর আগেও মতিঝিল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী গ্রেফতার চারজনই একটি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে ডিবি এবং থানা পুলিশের দলগুলো অভিযান অব্যাহত রেখেছে।









