তিনি বলেছেন, ‘অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই বাংলাদেশ থেকে সবকিছু নিয়ে তারা যখন-তখন হস্তক্ষেপ করেন। কিন্তু চীন করে না। চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়েই চলেছে। আমরা আশা করব অতীতের চাইতেও আগামীর দিনগুলোয় চীন আরো বেশি উদ্যোগী হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।’

গতকাল মিরপুর-১০-এ অবস্থিত আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুস্থদের মধ্যে চীনের সহায়তায় ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা সারা দুনিয়ার সভ্য সমস্ত দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করতে চাই। কিন্তু একটা কথা খুবই পরিষ্কার। আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারো আধিপত্য মেনে নেব না।’

এদিকে ঢাকার চীনা দূতাবাস গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তারা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। অনুষ্ঠানে এক হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তার বক্তব্যে বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশ একটি সমন্বিত কৌশলগত অংশীদার। এ অনুদানের মাধ্যমে চীন উষ্ণতা পৌঁছে দিতে এবং মানুষকে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনে সহায়তা করতে চায়।’

তিনি আরো জোর দিয়ে বলেন, চীন ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় এবং চীন ভবিষ্যতেও জনগণের কল্যাণে আরো প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবে।

ডা. শফিকুল রহমান এ উদার সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এ খাদ্যসামগ্রী চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন। জামায়াতে ইসলামী চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় এবং ভবিষ্যতে দলীয় পর্যায়ে আরো আদান-প্রদান, তৃণমূল পর্যায়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং জনগণের কল্যাণে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।’