কোটা সংস্কারের ব্যাপারে সরকার নীতিগতভাবে ঐক্যমত পোষণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, আমি এর আগেও বলেছি এখনো বলছি -মামলাটি আদালতে আছে। তাও সর্বোচ্চ আদালতে। যখন আদালতে শুনানি শুরু হবে তখন সরকার পক্ষ অবশ্যই একটি প্রস্তাব কোটার পক্ষে দেবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলের নীচে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমরা যেহেতু কোটা সংস্কারের প্রস্তাব দেব, সে জন্য আপনারা বলতে পারেন আমরাও কোটা সংস্কারের পক্ষে।
তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কোটা বাতিল করা হয়েছিল। এই বাতিলের যে পরিপত্র ছিল সেটার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা হাইকোর্টে গিয়েছিল। কোটা আন্দোলনকারীরা কিন্তু তখন কোনো পক্ষভুক্ত হয় নাই। যখন হাইকোর্টে যখন রায় হলো তখন আন্দোলন শুরু হলো। তখন তারা আদালতে যায়নি। আদালত যখন রায় দিয়েছে তখনই কিন্তু এই আন্দোলন শুরু হলো। তাদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছি, আদালতে যেতেও অনুরোধ করেছি।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন আছে। আপনারা ইতিহাস ঘেঁটে দেখতে পারেন। আদালতে যখন কোনো প্রশ্ন ওঠে তখন আদালত যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না করে ততক্ষণ পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগ এটার কোনো সুরাহা দেয় না।
তিনি বলেন, আগামী ৭ অগাস্ট মামলা শুনানির কথা ছিল। অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপিল বিভাগে আবেদন করার, যেন মামলাটা এগিয়ে আনেন। প্রধানমন্ত্রী বিচারবিভাগীয় তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন। সেই প্রেক্ষিতে আমরা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি বিচারপতি খন্দকার দিলুরুজ্জামানকে বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব দেয়ার জন্য কমিটি গঠন করেছি। এই প্রস্তাব প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। আমরা আশা করি প্রধান বিচারপতি বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
তিনি বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এই দাবিগুলোই ছিল। তাই আমি মনে করি তাদের আর আন্দোলন করার প্রয়োজন নেই। আশা করছি তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবে।










