নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ গতকাল সন্ধ্যায় গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটি জানান মন্ত্রী।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি যখনই সরকারে আসে তখনই একটা করে বড় রকমের ঝামেলা আসে, এর আগেও এমনটা দেখা গেছে। এবার এসেছে ইরান যুদ্ধ, এ যুদ্ধের ফলে বিশ্বে তেলের দাম বেড়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।’ তবে বিএনপি সরকার এখন পর্যন্ত যোগ্যতার সঙ্গে এ বিষয়গুলো মোকাবেলা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ফলে দেশে তেলের দাম এখনো বাড়েনি। এছাড়া এবার গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলোতে বেতন না দেয়ার যেসব ঝামেলা হয়, সেগুলো হয়নি। কারণ এসব বিষয়ে এবার আগাম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের ব্যাপারে আমরা কিন্তু শতভাগ কমিটেড (প্রতিশ্রুতিবদ্ধ), যেগুলো আমরা সই করেছি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, সে বিষয়গুলোতে আমরা কমিটেড। সেই কমিটমেন্ট থেকে আমরা এক চুলও নড়ব না। আর যেগুলো আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া, এগুলো মেনে নেয়া তো আমাদের জন্য নিশ্চয়ই সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। তবে সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’

এ সময় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘পার্লামেন্টে আমরা খুব পরিষ্কার করে বলেছি, আপনারা বিষয়টিকে পার্লামেন্টে আনুন, পার্লামেন্টে আমরা আলোচনা করি। সেই আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছতে পারব। কিন্তু পার্লামেন্টে আলোচনা না করে যদি আগে থেকেই রাস্তার হুমকি দিতে থাকে, তাহলে তো যে কারণে আমরা পার্লামেন্ট তৈরি করেছি সেটিতে কাজ করা অতটা সঠিক বলে আমি মনে করি না। এটা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। সবে তো পার্লামেন্ট শুরু হলো। এখন বিভিন্ন বিষয়ে কথা হবে, ডিবেট হবে, ওয়াকআউট হবে। এগুলোই তো পার্লামেন্টের বিউটি। পার্লামেন্টে যদি তর্ক-বিতর্ক না হয়, ওয়াকআউট না হয়, তাহলে তো বোঝা যাবে এ পার্লামেন্ট ইফেকটিভ পার্লামেন্ট না।’