বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সুখী সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হয়েছে। আর জনগণের প্রতি যাদের কোনো দায়িত্ব-কর্তব্য নেই, সে বিএনপি-জামায়াত দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইফতার পার্টি বর্জন করে সে অর্থ গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছেন। তখন বিএনপি নেতাকর্মীরা ইফতার পার্টির নামে জনগণের সঙ্গে তামাশা শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা-১৩ আসনের মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যাম্পে উর্দুভাষীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ সামগ্রী উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, লন্ডনে পলাতক তারেক রহমান ওই দেশের রাজপ্রাসাদে বসে দেশের শান্তির পরিবেশ বিনষ্ট করতে চায়। এ দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিতে চায় না। তার বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সতর্ক থেকে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের কারণে মানুষ যখন কিছুটা অসুবিধায় ভুগছে তখন এ আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে সুলভমূল্যের বাজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে করে রমজানে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস মানুষের ঘরে পৌঁছনো যায়। বাইরের বাজারে গরুর মাংস ৭০০-৮০০ টাকা হলেও এসব বাজারে তা পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬৫০ টাকায়। নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিস তুলনামূলক কম দামে মানুষকে সরবরাহ করা হচ্ছে। রমজান জুড়ে এ আসনের মানুষ সব সুবিধা পাবেন।

বিহারিদের উদ্দেশ্যে স্থানীয় এমপি নানক বলেন, আপনাদের পুনর্বাসনের যে ওয়াদা আমি দিয়েছিলাম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই আপনাদের পুনর্বাসন করবেন ইনশাআল্লাহ।

ঈদ উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি হচ্ছে জনগণের জন্য। জনগণের সব প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা পাশে থাকে। প্রধানমন্ত্রীর উপহার জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া উচিত। যদি আমরা সেটি সঠিকভাবে করতে না পারি তাহলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এখানে যারা এসেছেন আপনারা এ উপহারের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন। রোজা রেখে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া চাইবেন, আমাদের এটিই চাওয়া।

এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, উত্তর সিটির ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলামসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।