অন্তর্বর্তী সরকারের সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের শেষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকার ২৫টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বরাদ্দের অর্থায়নে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ৩২ হাজার ১৮ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২ হাজার ২৯১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। গতকাল প্রধান উপদেষ্টা ও একনেকের চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প ১৪টি, সংশোধিত প্রকল্প ছয়টি ও মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প পাঁচটি।
সভাটি অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ একনেক বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আর একনেক করার সম্ভাবনা নেই। এজন্য দুটি না করে একটি একনেক করা হয়েছে। ফলে মনে হতে পারে অনেকগুলো প্রকল্প পাস করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি। যেসব প্রকল্প জুনের মধ্যে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। সেগুলো যদি সে সময় করা না যায় তাহলে অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাবে। এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রকল্পের অগ্রগতি তদারক করতে ছয় মাস পর পর মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।’
এ সময় তিনি পরবর্তী সরকারকে বিদেশী ঋণ নিতে নিরুৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ‘বিদেশী ঋণে প্রকল্প নেয়ার পরিবর্তে নিজেদের অর্থায়নে করা যায় কিনা, সেটা দেখতে হবে। নিজেদের অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় যদি সম্ভব না হয় তখন ঋণ নেয়া যেতে পারে। ঋণ নিয়ে দুষ্টচক্রে আটকে যাওয়ার দরকার নেই। যে প্রকল্পের মাধ্যমে বিনিয়োগ আসবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে সে ধরনের প্রকল্পই নিতে হবে। আমরা ঋণনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’










