ইটের বিদ্যমান সুনির্দিষ্ট কর ১০ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাড়বে নির্মাণ খরচ। যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া তৈরি সাধারণ ইট ও ফেসিংয়ে ব্যবহৃত ইট ছাড়া এ খাতে বিদ্যমান কর ৪৫০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৫০০ টাকা, যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি সাধারণ ইট ও ফেসিংয়ে ব্যবহৃত ইট ছাড়া এই খাতে বিদ্যমান কর ৫০০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৬০০ টাকা, যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি প্রথম গ্রেডের ইটে ৭০০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
দ্বিতীয় গ্রেডের ইটেও একই হার। ব্রিকস চিপসে ৭০০ টাকার (প্রতি ১০০ সিএফটি) পরিবর্তে ৮০০ টাকা এবং মিকাড ব্যাটসের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকার (প্রতি ১০০ সিএফটি) পরিবর্তে ৬০০ টাকা। ট্যুর অপারেটর সেবার উপর মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার হচ্ছে।
এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট। বিশাল এ প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এ বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। সরকার অভ্যন্তরীণ ঋণ নেবে এক লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এই বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম 'সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার'। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।










