নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ‘ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আনার দায়িত্ব মূলত প্রার্থীদের। আর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পরিবেশ তৈরি করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রশাসনসহ প্রত্যেকে বলেছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় আছে। আমরা তাদের প্রতি আস্থা রেখেছি। আমরা বিশ্বাস করি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভোট হবে।’
গতকাল দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রিসাইডিং অফিসার, প্রার্থী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটারদের ভোট দেয়ার প্রতি অনীহা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভোটারদের আমি বলব, আপানারা কেন্দ্রে আসেন এবং ভোট দেন। কারণ ভোট আপনার নাগরিক অধিকার। আপনার অধিকার আপনি প্রয়োগে সচেষ্ট থাকেন। আন্তরিকতা নিয়ে আসেন। আপনি নির্ভয়ে আসেন। আপনাদের ভোটাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আমরা কিন্তু আইন করেছি। কেউ আপনাকে বাধা দিলে, হুমকি দিলে আপনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আনলে অবশ্যই তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।’
ভোটার উপস্থিতি ভালো না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারণ আমরা বিশ্বাস করি ভোটাররা আসবে। আমরা আশাবাদী মানুষ। ভোটাররা আসবে না এ কথা আমি আগেই মাথায় নেব না। আমরা আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ ভোটাররা অবশ্যই আসবে।’
এ নির্বাচনে প্রার্থীদের আশ্বস্ত করার প্রতিফলন দেখা যাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘এ বিষয়ে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। প্রতিফলন তারা দেখতে পাবেন। আমরা ১ হাজার ২০০ নির্বাচন করে ফেলেছি। সে সময়ে প্রতিকারের যে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি, তা অতীতে ফিরে গেলেই আপনারা দেখতে পাবেন। আমরা শুধু মুখের কথা বলি না, কাজও করি। আমাদের কথা ও কাজ এক।’
ভোটে সাংবাদিকদের বাধা-হুমকি ও নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আগে আপনাদের নিরাপত্তার বিষয়ে কিছুই বলা ছিল না। আমরা কিন্তু আইন সংশোধন করেছি। যদি আপনাদের কেউ ভয়ভীতি দেখায়, হুমকি দেয়, আপনাদের সরঞ্জাম যদি কেউ কেড়ে নেয়, তাহলে এটাও অপরাধের মধ্যে আসবে এবং শাস্তি পাবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং যারা মাঠে কাজ করবে তাদের নজরে আনবেন, ইনশাআল্লাহ আইনত ব্যবস্থা করা হবে।’










