ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহুর বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা হয়েছে। হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহ কিংবা অন্য কোনো পক্ষ হামলার দায় স্বীকার করেনি। খবর বিবিসি।

হামলার শিকার হওয়া বাড়িটির অবস্থান ইসরায়েলের উপকূলীয় শহর সিজারিয়ায়। এটি নেতানিয়াহুর ‘হলিডে হোম’ বা অবকাশকালীন বাড়ি। এ বাড়ি লক্ষ্য করেই হামলা হয় বলে জানায় সংবাদমাধ্যম।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, ‘হামলার সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ওই বাড়িতে ছিলেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়।’ তবে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেছেন, ‘হামলার সময় নেতানিয়াহু সেখানে ছিলেন না।’

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বরাতে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স বলছে, ‘ড্রোনটি লেবানন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। একই সময় মোট তিনটি ড্রোন ছোড়া হয়। এর মধ্যে দুটি ড্রোন ঠেকিয়ে দেয়া হয় ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশের আগেই।’

গত বুধবার হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে, প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছে হামাসও। তবে তাদের কেউই তাৎক্ষণিক হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলছে, হিজবুল্লাহ শুক্রবার রাতে অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এসব হামলার অধিকাংশই প্রতিহত করা হয়েছে। এছাড়া গ্যালিলি এলাকায় শত্রুপক্ষের একটি বিমান শনাক্ত করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা পরই লেবানন থেকে দুই দফায় তিনটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে শুক্রবার গাজায় একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২১ নারীসহ অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। হামাস নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া অফিসের বিবৃতিতে বলা হয়, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে আরো অনেক মরদেহ। মৃতের সংখ্যা ৫০ জনে পৌঁছাতে পারে। এ হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৮৫ জন।