জুলাই ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থান ফুটিয়ে তুলতে আয়োজন করা হয় ‘জুলাই জাগরণী’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়। আয়োজক ছিল ‘জাতীয় নাগরিক কমিটি’। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এ অনুষ্ঠান দেখতে আসেন।

আয়োজনের শুরুতেই জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন সানজিদা প্রমী, হিমেল, এফ মাইনর, তাকবীর হোসেন, র‌্যাপার সিজান, আহমেদ হাসান সানি, সিনা হাসান, গোলাপী, আলেয়া বেগম, পারশা প্রমুখ।

আমরা হয়তো, মানুষ কেন এরকম, তোমায় আমি চিনি না, তোমায় আমি ছুঁতে চাই, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, আমার মুক্তি আলোয় আলোয় ইত্যাদি গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে পাঠ করেন সাইফ ও অদ্রি।

আবৃত্তি করেন মাহবুবুর রহমান টুলু ও জুলফিকার। সারদ পরিবেশন করেন মানজুর আল মতিন। এতে মাইম ‘রক্তগ্রহণ’ ও ‘আয়নাঘর’ পরিবেশন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাইম অ্যাকশন।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী গাজী কালুর পালা পরিবেশন করে মাগুরার সাত্তার সরকার ও তার দল।

অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্থা শারমিন বলেন, ‘আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফ্যাসিজম আমাদের গোটা সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে কলুষিত করেছে। সব কিছু নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনও নষ্টদের দখলে চলে গিয়েছিল। আমাদের শিল্পীরা গ্রাফিতি ও গানের মাধ্যমে সেসবের প্রতিবাদ জানিয়েছে। আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আমাদের শিল্পীরা যে প্রতিবাদের দুর্গ গড়ে তুলেছিল সেটি আমাদেরকে নতুন পথ চলার প্রেরণা জুগিয়েছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আওয়ামী ফ্যাসিজমের কারণে গোটা দেশের মানুষের কাছে আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গন ও এ অঙ্গনের মানুষেরা নিগৃহীত ছিল। সব ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে আমাদের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে কলুষমুক্ত করেছে।’