ঝিনাইদহ পৌরসভার নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী ২৫ হাজার ৭৫৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী আব্দুল খালেক পেয়েছেন ১৮ হাজার ৫৩৯ ভোট। মেয়র পদে অন্য দুজনের মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মিজানুর রহমান মাসুম পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬২ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৯৩৮ ভোট। জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা আ. ছালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘ ১১ বছর পর সীমানাসংক্রান্ত মামলার জটিলতাসহ নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে গতকাল এ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ছিল। এর মধ্যেও ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে আসেন। এ পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের ৪৭ কেন্দ্রের ২৬৫টি কক্ষে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। ৪৭টি ভোটকেন্দ্রে ৪৭ জন নির্বাচনী কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে ১৮ জন নির্বাহী, তিনজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, ৪৮০ জন পুলিশ ও ৪২৩ জন আনসার, নয়টি মোবাইল টিমসহ র্যাবের তিনটি স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক মোতায়েন ছিল। এছাড়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও রির্টানিং অফিসার ভোটের মাঠে সার্বক্ষণিক তদারক করেন। নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন, কাউন্সিলর পদে ৬৪ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
প্রথম শ্রেণীর এ পৌরসভায় নির্বাচিত হয়ে এক মেয়াদে দীর্ঘ ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু। সর্বশেষ ২০১১ সালের ১৩ মার্চ এ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।









