ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত সামিটের
ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি মেরামত শেষে দেশে ফিরেছে ১০ জুলাই। টার্মিনালটি দেশে আনার
পরপরই নোঙর করতে গিয়ে আবার টার্মিনালের ম্যাসেঞ্জার লাইন (বিশেষ এক ধরনের দড়ি) ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সামিট এ বিষয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ
করেছে।
সামিট গ্রুপের পক্ষ থেকে পাঠানো এক
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এফএসআরইউয়ের ব্যালাস্ট ওয়াটার ট্যাংকের মেরামত শেষে সিঙ্গাপুর
থেকে ১০ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে পৌঁছেছে। এরপর ১১ জুলাই সমুদ্রের তলদেশে
ডিসকানেক্টেবল টারেট মুরিং (ডিটিএম) প্লাগ ও ল্যান্ডিং প্যাডের সঙ্গে এফএসআরইউয়ের নোঙর
করার চেষ্টা করা হয়। এ সময় আকস্মিকভাবে ডিটিএম বয়া মেসেঞ্জার লাইনে জটলা বেঁধে লাইনটি
ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সামিট জানায়, বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য
দ্রুত সময়ে স্থানীয় ডুবুরিদের নিযুক্ত করা হয়। ডুবুরিরা মেসেঞ্জার লাইনে জটলা খুঁজে
পান। তবে ক্ষতিগ্রস্ত মেসেঞ্জার লাইনটি সমুদের তলদেশ থেকে উদ্ধারের জন্য বিশ্বমানের
ডুবুরি ও ডাইভিং সাপোর্ট ভেসেল (ডিএসভি) প্রয়োজন বলে সামিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে অধিকতর পর্যবেক্ষণের
জন্য সামিট সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বর্তমানে ডুবুরি
দলের অপেক্ষায় রয়েছে এফএসআরইউ কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি অনুসন্ধান করে ডুবুরি দল আগামী সপ্তাহের
মধ্যে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন দেবে জানায় সামিট। পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে
সামিট ক্ষতিগ্রস্ত লাইনটি পুনঃসঞ্চালনের সম্ভাব্য
তারিখ সকল অংশীদারদের অবহিত করবে।
বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায়, আকস্মিক
এই দুর্ঘটনার পর দ্রুত ও নিরাপদভাবে এলএনজি শিপ-টু-শিপ (এসটিএস) ট্রান্সফার ও জাতীয়
গ্রিডে সরবরাহ করতে সামিট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।










