কর প্রশাসনের অনিশ্চয়তা ও জটিলতা ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে বাজারের প্রতিযোগিতা দুর্বল হচ্ছে ও দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির বিশ্লেষকরা।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানের পুলিশ প্লাজায় এম আনিস উদ দোলা কনফারেন্স হলে 'বাংলাদেশে কার্যকর শাসনব্যবস্থা এবং কর সংস্কার ও কর প্রশাসনের বাস্তবায়ন' বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এ সব তথ্য উঠে এসেছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
আলোচনায় এমসিসিআই এর সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান বলেন, দেশে ৩ শতাংশেরও কম মানুষ আয়কর দেন। ব্যবসায়িক পর্যায়ে বড় আকারের কর ফাঁকি রয়েছে। কর আইন কার্যকর করার প্রক্রিয়া দুর্বল। এটি প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, কর ব্যবস্থার অতিরিক্ত জটিলতা সমস্যার মূল কারণ। জটিল প্রক্রিয়া নিয়ম মানতে নিরুৎসাহিত করছে ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়াচ্ছে। এতে কম নিয়ম মানা, কম বিশ্বাস ও কম রাজস্ব আয়ের এক দুষ্টচক্র তৈরি হয়েছে।
কামরান তানভিরুর রহমান মনে করেন, সৎ ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতিতে দ্বিগুণ চাপে পড়ছেন। যারা নিয়ম মেনে কর দেন, তারা কর ফাঁকিদাতাদের তুলনায় বেশি চাপের মুখে পড়ছেন। অথচ কর ফাঁকিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা কার্যকর হয় না।
গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সহসভাপতি ও বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক এ এম মাহবুব চৌধুরীসহ আরো অনেকে। আলোচনা সঞ্চালনা করেন মেট্রো চেম্বারের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির।










