এবার ব্যক্তিগত মোবাইল
ফোন আমদানিতে শুল্ক যুক্ত হয়েছে। এতদিন একজন যাত্রী দেশের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ দুইটি
মোবাইল ফোন সাথে নিয়ে আসতে পারতো। আগামী অর্থবছর থেকে কোনো যাত্রী বিদেশ থেকে শুল্কবিহীন
মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না। আজ বৃহিস্পতিবার (৬ জুন) সংসদে বাজেট উপস্থাপনে এ তথ্য
জানান অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
মন্ত্রী বলেন, ব্যবসার
উদ্দেশ্যে আনা ব্যাগেজের অপব্যবহার রোধে আনঅ্যাকোম্পানিড ব্যাগেজ শুল্ক-কর পরিশোধ সাপেক্ষে
খালাস করার বিধান করা হয়েছে। শুল্ক-কর পরিশোধ সাপেক্ষে একটি নতুন মোবাইল ফোন আমদানি
করার বিধান এবং শুল্ক-কর পরিশোধ ব্যতীত সর্বোচ্চ দুইটি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আনার বিধান
করা হয়েছে।
দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ
আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদন এবং দেশীয় শিল্প বিকাশের চলমান
গতিশীলতা বাজায় রাখার স্বার্থে মোবাইল টেলিফোন সেট বা সেলুলার ফোন, পলিপ্রোপাইলিন স্ট্যাপল
ফাইবার, এলপিজি সিলিন্ডার ও সালফোনিক অ্যাসিড এবং সোডিয়াম লোরেথ সালফেট উৎপাদনের ক্ষেত্রে
বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা এক বছর বর্ধিতকরণের প্রস্তাব করছি এবং অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের
ক্ষেত্রে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা তিন বছর বর্ধিতকরণের প্রস্তাব করা হয়।
জানতে চাইলে মোবাইল
ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহসভাপতি রেজওয়ানুল হক বলেন, আমাদের
খাতে এবার যথাযথ বাজেট হয়েছে। এবার আমাদের ভ্যাট বাড়েনি, কাস্টমসের নিয়মে কিছু পরিবর্তন
নিয়ে আসা হয়েছে। তাছাড়া ব্যাগেজ রুলস যেটা করা হলো, নতুন ফোন নিয়ে আসতে হলে শুল্ক দিতে
হবে, এটা আমাদের ইতিবাচক হয়েছে এবং সবকিছু এখনো পর্যন্ত আমাদের পক্ষেই আছে।
পুরনো ফোন বিষয়ে তিনি
বলেন, পুরনো ফোন তো শুধুমাত্র গ্রে-বাজারের বিষয়। এটা সবসময় আসতে থাকবে। এর জন্য আমরা
এনইআইআর সিস্টেম চালু করার কথা বলছি। কিন্তু এটি এখনো শুরু হয়নি, এটি শুরু করলে দেশীয়
বাজার আরো চাঙ্গা হয়ে উঠবে।










