বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযানে নামে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। তবে এক্ষেত্রে সঠিক কাগজ-পত্র থাকা সত্ত্বেও রাজউক রেস্তোরাঁর কর্মচারীদের গ্রেফতার করে অনধিকার চর্চা করছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।
আজ সোমবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির নেতারা রাজউকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মালিক পক্ষ দাবি করেছেন, বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এরই মধ্যে প্রায় ৮০০ রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁগুলোর শ্রমিক এবং কর্মচারীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক্ষেত্রে রেস্তোরাঁর সঠিক কাগজ-পত্র থাকা সত্ত্বেও রাজউক অনধিকার চর্চা করছে বলে অভিযোগ করেছেন মালিক পক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, বেইলি রোডের ওই অগ্নি দুর্ঘটনা এখনো তদন্তাধীন, তাই এখনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। কিন্তু এর আগেই কর্মচারীদের গ্রেফতার এবং ঢালাওভাবে রেস্তোঁরা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।
এভাবে বিনা নোটিসে রেস্তোরাঁ বন্ধে এ খাত হুমকির মুখে পড়ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন বক্তারা। তারা বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হলে কমপক্ষে ৬ মাস পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে। কিন্তু বিনা নোটিসে এভাবে ভাঙচুর করে রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ফলে রেস্তোরাঁ খাত বর্তমানে ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন।
এ সময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন বলেন, সারা দেশে প্রায় ৮০০ রেস্তোরাঁ অভিযানের নামে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হয়রানি করে প্রায় ১২০০ কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।










