ঝালকাঠিতে লঞ্চে আগুনের ঘটনায় সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানে সপ্তম দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে ফায়ার সার্ভিস এবং কোস্টগার্ড। গতকাল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় তারা। তবে সপ্তম দিনে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।
আগে উদ্ধার পাঁচটি মরদেহের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন লঞ্চের বাবুর্চি নারায়ণগঞ্জের মো. শাকিল মোল্লা (৩৩), চাঁদপুরের
মাদ্রাসাছাত্র মাহির হোসেন (১১), বরগুনার
গৃহবধূ সিমু বেগম (২৫) ও নরসিংদীর ব্যবসায়ী হক মিঞা (৩৫)। অজ্ঞাত ব্যক্তি সনাতন ধর্মের নিশ্চিত হওয়ায় তাকে সনাতন ধর্মের নিয়ম মেনে মাটি দেয়া হয়েছে। ঝালকাঠি সদর থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা স্পিডবোট ও ডুবুরি নিয়ে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে অনুসন্ধান চালিয়েছেন। তবে এদিন কারো মরদেহ পাওয়া যায়নি।
বরিশাল নদী ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. খোরশেদ আলম জানান, সপ্তম দিনে কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি।
এদিকে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্বেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত টিম দ্বিতীয় দিনের মতো পুড়ে যাওয়া লঞ্চ ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।









