রাজশাহী নগরীতে আনিকা নামের (১০) বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর গতকাল সকালে নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আনিকা নগরীর নওদাপাড়া এলাকার ভ্যানচালক আজিম উদ্দিনের মেয়ে ও স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত শিশুটি। শনিবার বিকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

এ ঘটনায় পলাশ (৩০) নামের এক হোটেল কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল ভোরে নাটোর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পলাশ নওদাপাড়া এলাকার শাহিনের ছেলে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার হয়েছে ওই শিশুর মরদেহ।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহ মখদুম জোনের উপপুলিশ কমিশনার নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ঈদ সেলামি দেয়ার কথা বলে ওই শিশুটিকে নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। বিষয়টি যেন কেউ জানতে না পারে সেজন্য শিশুকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। এরপর রাতে সুযোগ বুঝে তার মরদেহ পুকুরে ফেলে রাজশাহী থেকে নাটোরে পালিয়ে যান পলাশ। পরে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় রোববার রাতভর অভিযান চালানো হয়। গতকাল ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর জেলা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।