এ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলা—কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ায় থাকছে নানা কর্মসূচি।

এর মধ্যে পাকুন্দিয়ায় পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন তিনি। এছাড়া সদর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম কিশোরগঞ্জ সফর। এ সফর ঘিরে জেলায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তার সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ সফরকালে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ উপলক্ষে মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখা সারা দেশের ১৪ জন উদ্যোক্তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বর্ণপদক দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেনের সই করা সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে কিশোরগঞ্জ যাবেন। বেলা সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করবেন। একই স্থানে স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

এরপর সাড়ে ১২টায় কটিয়াদী কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১টার দিকে কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।

বেলা আড়াইটায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ছাত্রদল আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকাল ৪টায় জেলা শহরের পুরনো স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বিভিন্ন অনুদান এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে কিশোরগঞ্জ ত্যাগ করার কথা রয়েছে।