বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে আনসার ব্যাটালিয়ন হাবিলদার মো. শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারভুক্ত ১২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে ১১ জনকে গতকাল দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বাগেরহাট আমলি আদালত-২-এর বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল আজাদ আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া ঘটনার দিন গুলিবিদ্ধ আছাবুর গাজী নামে আরেক আসামি পুলিশ হেফাজতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ম্যাটারিয়াল ইয়ার্ডের ৩ নম্বর টাওয়ারের সীমানাপ্রাচীর কেটে ৫০-৬০ অস্ত্রধারী ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় অস্ত্রধারীরা নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা করে।

রামপাল থানার ওসি সৌমেন দাস জানান, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় একজন আনসার সদস্য মামলা করেছেন। মামলায় এজাহারভুক্ত ১১ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার আরো এক আসামি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ম্যাটারিয়াল ইয়ার্ডটি মূলত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল অবকাঠামোর বাইরে। কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা ইয়ার্ডে লোহার রড, তামার তার, তামার তারের বাক্স, লোহার অ্যাঙ্গেল, স্টিলের পাত, লোহার পাতসহ ব্যবহারযোগ্য ও ব্যবহার অযোগ্য বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু রাখা হয়। মূলত এসব ধাতু লুট করতেই সংঘবদ্ধ চক্রটি ম্যাটেরিয়াল ইয়ার্ডে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।