পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরেই ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল হাওয়া আর উচ্চ আর্দ্রতার কারণে জেলাজুড়ে শীতের উপস্থিতি স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ, তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক ছিল। হালকা কুয়াশার পর সকালে ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও প্রচণ্ড আর্দ্রতা আর হিমেল বাতাস শরীরে বাড়তি শীতের অনুভূতি দিচ্ছে।

এর আগে শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনভর রোদের সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা (সর্বোচ্চ) ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গত ২১ নভেম্বর তেঁতুলিয়ায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে। এরপর ১১ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ এর মধ্যেই ওঠানামা করছিল।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে হালকা কুয়াশার সঙ্গে বেশ শীত অনুভূত হয়। রাতভর হালকা কুয়াশার ঢেকে থাকে এলাকা। তবে ভোরের দিকে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কমে যায় ঠান্ডার অনুভূতি। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রোদের কারণে গরম অনুভূত হয়। প্রতিদিনের মতো রোববার ভোরের দিকেও সূর্য ওঠার পর থেকে শীতের অনুভূতি কমতে থাকে। দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদরসহ পুরো জেলায় ভোররাত থেকেই শীতল হাওয়া বইছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকলেও রোববার তা আরও কমেছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই উত্তরাঞ্চলে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসবে বলেও তিনি জানান।