বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) পরিদর্শন
করেছে এনডিসি প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার (২৮ মে) মেজর জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের নেতৃত্বে
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) একটি প্রতিনিধিদল মেজর জেনারেল পদমর্যাদার দুজন সিনিয়র
ডাইরেক্টিং স্টাফসহ ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে।
১২০ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলে এনডিসি কোর্সের সদস্যদের মধ্যে বাংলাদেশ
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, সিভিল সার্ভিসের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি
মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, ভারত, কুয়েত, কেনিয়া, চীন, দক্ষিণ সুদান, তানজানিয়া, নেপাল, জর্দান,
মালি, ওমান, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, জাম্বিয়া, সৌদি আরব এবং কাতার থেকে
আগত বিদেশী সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্টাফ অফিসাররা ছিলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) এনডিসি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত
জানান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম,
সহ-সভাপতি (অর্থ) মো. নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, পরিচালক হারুন
আর রশিদ, পরিচালক শামস মাহমুদ, পরিচালক আবরার হোসেন সায়েম, পরিচালক নুসরাত বারী আশা,
পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল, পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম এবং পরিচালক মো. রেজাউল আলম
(মিরু)।
এনডিসি প্রতিনিধিদলের বিজিএমইএ পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের
পোশাক শিল্প সম্পর্কে জানা এবং এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য বিজিএমইএ গৃহীত কার্যক্রমগুলো
অবহিত হওয়া।
বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ওপর
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রদান করে প্রতিনিধি দলটিকে বলেন, শিল্পটি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক
উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
সভায় বিজিএমইএ নেতারা পোশাক শিল্পের রূপকল্প, শিল্পের টেকসই উন্নয়নে
বিজিএমইএ এর গৃহীত কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন।
তারা আগামী দিনে প্রতিযোগী সক্ষমতা বজায় রাখতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ,
প্রযুক্তির মানোন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়নসহ শিল্পের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো সম্পর্কেও প্রতিনিধিদলের
সদস্যদের অবহিত করেন।
এনডিসি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়ন, বিশেষ করে পোশাক
খাতে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের প্রশংসা করেন।
মেজর জেনারেল এস এম কামরুল হাসান বলেন, বিজিএমইএ যেভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ
গ্রহণ করে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে এগিয়ে নিচ্ছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি আশাবাদ
ব্যক্ত করেন, পোশাক শিল্প তার রূপকল্প অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন রফতানি
করতে সমর্থ হবে।
বিজিএমইএ সভাপতি স্ব স্ব অবস্থান থেকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সাফল্যের
গল্পগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার জন্য এনডিসি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের আহ্বান
জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিজিএমইএ পরিদর্শনের পূর্বে এনডিসি প্রতিনিধিদলটি সাভারে
একটি গ্রিন পোশাক কারখানা ফোর এ ইয়ার্ন ডাইং লিমিটেড পরিদর্শন করেন।










