চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কটির দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। জোরারগঞ্জ বাজার থেকে ইছামতী মন্দির পর্যন্ত এক কিলোমিটার যাতায়াতের উপযোগী থাকলেও বাকি চার কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে ভরা। এছাড়া বিষুমিয়ারহাট থেকে আজমপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে রয়েছে বড় বড় গর্ত।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি দিয়ে ছোট-বড় পিকআপ, বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। সড়কে গর্তের কারণে কোনো যানবাহনই স্বাভাবিক চলাচল করতে পারে না। ১০ মিনিটের সড়ক অতিক্রম করতে লেগে যাচ্ছে ৩০ মিনিট বা তার বেশি সময়। শিক্ষার্থীরাও নির্ধারিত সময়ে স্কুল-কলেজে পৌঁছাতে পারছে না।
সড়কের এ অবস্থার কারণ হিসেবে স্থানীয়রা বলছেন, মৎস্য প্রকল্পের দিঘিগুলোয় প্রতি রাতে মাছ বাজারজাত করা হয়। সড়কে ড্রামে কেমিক্যালযুক্ত পানি নিয়ে শত শত পিকআপ, ট্রাক চলাচল করে। এ কারণে সড়কটি টেকসই হচ্ছে না।
নিয়মিত এ রুটে চলাচলকারী শিক্ষার্থী জেসমিন ও সুমন দাশ বলেন, ‘সড়কে গর্ত থাকায় গাড়িগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল পারে না। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে আমরা বিদ্যালয়ে আসতে পারি না। এছাড়া অনেক সময় গর্তে পড়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বিকল হয়ে পড়লে হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতে হয়।’
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্টসহ প্রায় ১৮ কিলোমিটার সড়কের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। শিগগিরই জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কটি ১৮-৩৪ ফুট প্রস্থে উন্নীত করে কার্পেটিংয়ের কাজ করা হবে।’










