পোলট্রি খাতে সমৃদ্ধ জেলা রাজবাড়ীতে প্রতি বছর ডিম উৎপাদন হয় প্রায় ১৮ কোটি পিস। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৬ কোটি ডিম সরবরাহ করা হয় আশপাশের জেলায়। সে হিসাবে ডিমের ঘাটতি না থাকলেও লাফিয়ে বাড়ছে দাম। কারণ হিসেবে ভোক্তারা বলছেন, প্রতি হালি ডিমে কমপক্ষে ১৫ টাকা লুফে নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী আর বাজার সিন্ডিকেট। এ কারণে নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্তদের ডিম না কিনেই ফিরতে হচ্ছে বাড়িতে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজবাড়ীর প্রতিটি খামারে এক হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা। পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা। আর খুচরা পর্যায়ে ঠেকেছে ৫৫-৬০ টাকায়। তবে কঠোরভাবে বাজার তদারকি করা গেলে দাম হাতের নাগালে আনা সম্ভব বলে মনে করেন ভোক্তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, রাজবাড়ীতে ডিম উৎপাদনকারী ছোট-বড় মিলিয়ে ৫৭৬টি খামার রয়েছে, যা থেকে প্রতি মাসে দেড় কোটি আর বছরে ১৮ কোটি ডিম উৎপাদন হয়। জেলার চাহিদা মিটিয়ে বছরে ছয় কোটি ডিম পাশের জেলায় সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়।
তবে রাজবাড়ী পোলট্রি ফার্মের ম্যানেজার মো. সোহাগ মিয়া বলেন, ‘ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সকালে তারা ফোন করে যে দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে, সে দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে ডিম। তাদের দেয়া দাম অনুযায়ী আমরা প্রতি পিস ১১ টাকা ৫০ পয়সা বিক্রি করছি। সে হিসাবে প্রতি হালি ৪৬ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া পোলট্রি খাদ্যের দাম বেশি থাকায় ডিমের উৎপাদন খরচ বাড়ছে। যার প্রভাব পড়ছে দামের ওপর।’










