তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর অব্যাহতির সুযোগ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনগুলো। তারা জানায়, স্থানীয় সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবার প্রসার ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কর অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। গতকাল রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বেসিস মিলনায়তনে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সম্মেলনের আয়োজক বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন (আইএসপিএবি) ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা খাতে বার্ষিক অভ্যন্তরীণ বাজারের আকার প্রায় ১৫০ কোটি ডলার সমপরিমাণ, পাশাপাশি রফতানি প্রায় ১৯০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এ খাতে সরকার কর ছাড় দেয়ায় বাজার এত বড় করা সম্ভব হয়েছে। চলমান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর অব্যাহতির মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হবে। ফলে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি কোনো বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন না।
তারা আরো জানান, রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২৯ সাল নাগাদ সরকারের ৫০০ কোটি ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিশ্বমানের সক্ষমতা তৈরি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিশ্চিতকরণ, দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে উৎসাহ প্রদান এবং স্থানীয় বাজার বড় করতে দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি সুবিধা বলবৎ রাখা প্রয়োজন। তাই এসব লক্ষ্য অর্জনে সরকারের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় আনতে হবে। এর জন্য গত ১০ মার্চ বেসিসসহ পাঁচটি তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের নেতারা অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন।
সম্মেলনে বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে যদি করের আওতায় আনা হয়, সেটা রাজস্ব আয়ের ১ শতাংশও হবে না।’










