বরিশালে ভবন ভাঙা নিয়ে দুই বিদ্যালয়ের মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই পক্ষ দাবি করছে, ভবনটি তাদের। তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। আর শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, বিষয়টি জানানো হয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে।
এক সপ্তাহ ধরেই নগরীর বিএম কলেজ রোডের বহুমুখী কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন ভাঙা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। তবে সেই ভবন ও জায়গা নিজেদের দাবি করেছেন পাশে থাকা কলেজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান গতকাল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, বিষয়টির সুষুম সমাধান করা হবে।
কলেজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতিমা আক্তার বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর জমি মাপার জন্য আবেদন করি। এরপর স্যার মেপে একটা প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে এ জমি আমরা পেয়েছি। যেহেতু এ জমি আমাদের, তাই আমাদের ভবন ফেরত দিতে হবে।
অন্যদিকে পাল্টা অভিযোগ তোলেন বহুমুখী কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রতন বণিক। তিনি বলেন, এক বছর আগে জমিটি মাপা হয়েছে। প্রাইমারির রেকর্ড ৯ দশমিক ২ শতাংশ জমি তাদের বুঝিয়ে দেয়াসহ সীমানা পিলার দেয়া হয়েছে। এটা প্রাইমারির জমি না এটা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি আমরা ক্রয় করেছি। ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে এ ভবনটি ভাঙা হচ্ছে।









