এটি বাংলাদেশের দ্রুত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উভয় দেশের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।’
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ফ্ল্যাগশিপ ‘ডিক্যাব টক’-এ গতকাল তিনি এসব কথা বলেন।
সারাহ কুক বলেন, ‘ঐতিহ্যগত উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে দুই দেশের সম্পর্ক এখন আধুনিক কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে। এর আওতায় রাজনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু নেতৃত্ব, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, অবৈধ অভিবাসন মোকাবেলা এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো আঞ্চলিক ইস্যুতে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক উত্তরণকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সঙ্গে উভয় দেশের জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অভিন্ন অগ্রাধিকার বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে যুক্তরাজ্য আগ্রহী।’
বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে দুই বছর ধরে কাজ করছে যুক্তরাজ্য । এ বিষয়ও ওঠে এসেছে ডিক্যাব টকে ।
অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের অর্থ যুক্তরাজ্য ফেরত দেবে কি-না, এমন প্রশ্নে সারাহ কুক বলেন, ‘সম্পদ পুনরুদ্ধার নিয়ে আমরা কাজ করছি। সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা নিয়ে কথা বলতে পারি না। সেগুলোর সব কটিতেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদ জব্দ করেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতির এটি অত্যন্ত জোরালো প্রমাণ।’










