ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির সময় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তারা বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়া দেশ হিসেবে ভুটানের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তারা।

সাক্ষাতে দুদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশ অবদান রাখতে আগ্রহী বলেও জানান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ মানবসম্পদ দিয়ে বাংলাদেশ এ উদ্যোগে সহযোগিতা করতে চায় বলে জানান তারা।

দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাবনার কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা—সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে ভুটানের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।

সাক্ষাতে বাংলাদেশে ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী প্রায় এক ঘণ্টা বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থান করেন। পরে তিনি জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।