গতকাল সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মান্নান নগরে চলনবিল এলাকা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় দোবিলা ইসলামপুর ডিগ্রি কলেজের হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল হলো চলনবিল। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো। একই সঙ্গে চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও পাবনার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এ বিলের জীববৈচিত্র্যও গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। তাই সম্ভাবনাময় চলনবিলের পর্যটন খাতকে আরো আকর্ষণীয় ও যুগোপযোগী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে।’

তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স ম আফছার আলীর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের (তাড়াশ- রায়গঞ্জ) সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান প্রমুখ।

এদিকে সকালে মন্ত্রী নাটোরের রাণী ভবানী রাজবাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই। এ লক্ষ্যে সরকারের পর্যটন বিভাগ কাজ শুরু করবে। নাটোরের পাশাপাশি দেশের সম্ভাবনাময় প্রতিটি স্থানের পর্যটনকে জনপ্রিয় করতে কাজ শুরু করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটকে চিহ্নিত করেছি আমরা। পর্যায়ক্রমে এ স্পটগুলোকে পর্যটন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। পর্যটন স্পটের উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটকদের আবাসন, চিকিৎসা ইত্যাদি সুবিধা প্রদানের বিষয়গুলোও হাবের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক রহিম নেওয়াজ এবং নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল হায়াত এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আফরোজা খানম নাটোরের পর্যটন সম্ভাবনা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে দুদিনের সফরে শুক্রবার নাটোরে আসেন। ওইদিন তিনি নাটোরের উত্তরা গণভবন এবং মিনি কক্সবাজারখ্যাত হালতি বিল পরিদর্শন করেন।