পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সশস্ত্র তৎপরতা নিয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘সেখানে যৌথ অভিযান চলছে। অচিরেই পরিস্থিতি শান্ত হবে।’
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে মৎস্যজীবী লীগের ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে একটা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিছু কিছু সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে। এ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীটি রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িতে নেই। শুধু আছে বান্দরবানে। এ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কিছু তরুণ অস্ত্রশস্ত্রসহ মহড়া দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। আশা করি, অচিরেই পরিস্থিতি শান্ত হবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের এ সশস্ত্র তৎপরতার ঘটনায় গোটা পার্বত্য অশান্ত হবে, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।’
এ সময় বিএনপির প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজ কিছু কিছু দল নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ, আন্দোলনে ব্যর্থ। তারা বলেছিল— সরকার নির্বাচন করতে পারবে না, তারা তা ঠেকাতে পারেনি। নির্বাচন হয়ে গেছে। তারপর বলেছে, পাঁচ দিনের বেশি সরকার টিকবে না। ৭ জানুয়ারি থেকে তিন মাস হয়ে গেল। বিএনপির এখন চেয়ে চেয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কিছু করার নেই। গণতন্ত্র তারা ধ্বংস করেছে, আর গণতন্ত্রকে শৃংখলমুক্ত করেছেন শেখ হাসিনা।’
‘সরকার দেশজুড়ে হরিলুট চালাচ্ছে’— বিএনপির এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, ‘কীভাবে হরিলুট চলছে? কোথায় হরিলুট চলছে? অন্ধকারে ঢিল ছুড়বেন না, সত্য বলুন। ৮০ ভাগ নেতাকর্মী জেলে— মির্জা ফখরুল মায়াকান্না করে। তালিকাটা প্রকাশ করুন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজ পরিস্থিতি সামাল দিতে আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেখ হাসিনা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।’
আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, মৎস্যজীবী লীগের কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আজগর নস্কর প্রমুখ।










