করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে গতকাল থেকে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন। তাতে কাজ হয়নি, এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের থাবা পড়ে গেছে জেলাটিতে। দেশের ১৬তম জেলা হিসেবে টাঙ্গাইলে করোনারোগী শনাক্ত করা হলো। জেলার মির্জাপুরের ভাওড়া ইউনিয়নে করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খাতুন।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের এক ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জের একটি ক্লিনিকে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে গত রোববার (০৫ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ থেকে জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে খবর পেয়ে তার নমুনা সংগ্রহ করে গত ৬ এপ্রিল ঢাকার রোগ তত্ত্ব, রোগ নিরাময় ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছিল।

গতকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ। 

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক বলেন, ‘আক্রান্ত ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মঙ্গলবার রাতেই ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

ওই গ্রামের একটি পাড়ার ৩০টি পরিবার লকডাউন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘সেখান থেকে কেউ বের এবং প্রবেশও করতে পারবেন না।’

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ওই ব্যক্তি জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে মির্জাপুরে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ তার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়। গতকাল রাত ১০টার দিকে সেখান থেকে মুঠোফোনে আমাকে ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা শনাক্ত করার কথা জানানো হয়।