পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘সিলেট মহানগরের ভোটারের কাছে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলররা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। ভোটারদের নির্বাচনমুখী করতে কাউন্সিলরদের বিকল্প নেই। তাই ভোটারদের নির্বাচনমুখী করতে হবে।’ গতকাল নগরীর হাফিজ কমপ্লেক্সে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা।
সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলররা অংশ নেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট-১ আসন একটি মর্যাদাপূর্ণ আসন। তাই এ আসনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। সিলেট মহানগরের ভোটারের কাছে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলাররা একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তাদের সুখে-দুখে আপনারা সবসময় পাশে থাকেন। সে সঙ্গে সরকারের মাঠ পর্যায়ের সেবা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কাউন্সিলদের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়।’ এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা চান।
মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সিলেট সিটির উন্নয়নে অনেক কাজ করেছে। বিগত ১০ বছর সিসিক মেয়র আওয়ামী লীগের দলীয় ব্যক্তি না হলেও উন্নয়ন বরাদ্দ বিন্দুমাত্র কম দেয়নি সরকার। কারণ শেখ হাসিনার কাছে দেশ-জনগণই মুখ্য, অন্য কিছু নয়।’
সভায় কাউন্সিলররা নির্বাচনে বিজয় সুনিশ্চিতে তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণা ও ভোটারদের নির্বাচনমুখী করার বিভিন্ন দাবি, পরিকল্পনা, সুপারিশ করেন। নির্বাচনে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন উপস্থিত কাউন্সিলররা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেগুলো বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী সেলিনা মোমেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জগদীশ চন্দ্র দাশ, ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তৌফিক বক্স, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত সনতু, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসএম শওকত আমীন তৌহিদ, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।










