পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে প্রসূতিসেবায় পিছিয়ে রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসক, ধাত্রীসেবা ও অবকাঠামোর অভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাতৃমৃত্যুর হার অন্যান্য জেলার তুলনায় বেশি এ অঞ্চলে। দুর্গম এলাকার নারী ও নারীদের নিরাপদ জন্ম ও মাতৃত্বসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও, কমিউনিটি হেলথ সার্ভিস প্রভাইডার, স্টেকহোল্ডার ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় এবং একটি সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর জোর দেয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তারা।

গতকাল ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা পরিষেবার সম্প্রসারণ, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য খাতের প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা জানান বক্তারা। স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবায় আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে সত্য, কিন্তু আমাদের এখন থেকে বিদ্যমান জনবল ও সংস্থান নিয়ে কাজ শুরু করা উচিত, যাতে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায়। পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য খাতের সমন্বয় নিশ্চিত করার জন্য লোকবল ও বাজেটের সঙ্গে নিজ নিজ সেক্টর থেকে সহায়তা করতে হবে। আমরা যদি এসডিজি অর্জন করতে চাই, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতিটি উপাদান ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের সম্পদ ব্যবহার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা সহায়তার হাত বাড়াতে প্রস্তুত।’

সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (হেলথ) ড. ড্যানিয়েল নোভাক বলেন, ‘আপনারা এখানে অনেকেই অনেক ভালো ভালো ধারণার কথা বলেছেন। আমি এখান থেকে দু-একটি ধারণা নিয়ে কাজ করব।’