জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয়েছে ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, ‘ছাত্র-শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক, পেশাজীবিসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধতার সফল সমাপ্তি ঘটে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে।’

‎গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলায় জাগ্রত জুলাই ফোরামের আয়োজনে ‘শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের দায় ও নতুন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ আলোচক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

‎পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়ে ছাত্ররা আমাদের ঋণী করে গেছেন। এখন শহীদদের ঋণ পরিশোধের পালা। জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মানের মাধ্যমে শহীদদের ঋণ শোধ করতে হবে।’

‎তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বিরোধ নয় বরং ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।’

তিনি জানান, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে গঠনমূলক সমালোচনা করা। জুলাই প্রশ্নে কোনো আপস নয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার তিনি মনে করিয়ে দেন।

‎আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগ্রত জুলাই ফোরামের আহ্বায়ক আলহাজ আহমেদ জীবন। অতিথি ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন এবং আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী. শহীদুল আলমসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।