১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এদিন ‘ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যাক্ট’ স্বাক্ষর করেন, যা আনুষ্ঠানিকভাবে মার্শাল প্লান বা মার্শাল পরিকল্পনা কার্যকর করে। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি মার্শালের প্রস্তাবিত উদ্যোগটি ছিল মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ধ্বংসস্তূপ থেকে ইউরোপকে পুনরায় গড়ে তোলায় মহাপরিকল্পনা।
এ প্রকল্পের আওতায় ১৬টি ইউরোপীয় রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে ১৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হয়। এ বিপুল অঙ্কের সহায়তার মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর অর্থনীতি পুনর্গঠন, দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক বাধা দূর করা এবং আধুনিক শিল্প কাঠামো তৈরি করা।
মার্শাল প্লানের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল। এর মাধ্যমে যুদ্ধপরবর্তী ইউরোপীয় দেশগুলোয় কমিউনিজমের উত্থান রোধের চেষ্টা করা হয়। পুঁজিবাদী ধারা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পরিকল্পনাটি পশ্চিম ইউরোপে সফল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।
উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি
১৯৭৩: মটোরোলার প্রকৌশলী মার্টিন কুপার নিউইয়র্কের রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিশ্বের প্রথম মোবাইল ফোন কলটি করেন। এটিই ছিল তারহীন যোগাযোগের আধুনিক সূচনা।
১৯৮২: দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয় আর্জেন্টিনা। এর ফলে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী ফকল্যান্ড যুদ্ধের সূচনা হয়।
১৯১৭: জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এদিনে বলশেভিক নেতা ভ্লাদিমির লেনিন নির্বাসন শেষে রাশিয়ার পেট্রোগ্রাদে ফিরে আসেন, যা রুশ বিপ্লবের গতিপথ বদলে দেয়।
১৯২২: জোসেফ স্ট্যালিন সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, যা পরবর্তীকালে তাকে রাশিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি হওয়ার সুযোগ করে দেয়।
জন্ম
১৮৮৪: রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক।
১৯২৪: মার্লন ব্র্যান্ডো, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৩৪: জেন গুডাল, ব্রিটিশ নৃবিজ্ঞানী ও প্রাইমেটোলজিস্ট।
১৮৯৩: লেসলি হাওয়ার্ড, ব্রিটিশ অভিনেতা ও মঞ্চ পরিচালক।
মৃত্যু
১৮৯৭: জোহানেস ব্রামস, বিশ্বখ্যাত জার্মান সুরকার ও পিয়ানোবাদক।
১৯৭৭: ব্রুনো হাইড্রিক, প্রখ্যাত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।
১৯৯১: গ্রাহাম গ্রিন, বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও নাট্যকার।
২০০২: ফজলুল হক, ঢাকার প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর নির্মাতা।
২০১৫: মানোয়েল দে অলিভেইরা, ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘজীবী এবং পর্তুগিজ চলচ্চিত্র।










