চলতি মৌসুমে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল বেলা ৩টায় জেলায় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, পাবনায় মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে। গতকাল ঈশ্বরদীতে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে এটি পাবনা জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তবে তাপমাত্রা আগামীতে আরো বাড়তে পারে।
এদিকে তীব্র গরমে রোজাদারদের প্রাণও ওষ্ঠাগত। প্রখর রোদের ঘাম ঝরানো তাপমাত্রার কারণে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েন বিপাকে। দিনমজুর, রিকশাচালক, ঠেলা ও ভ্যানচালকরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। আবার অনেকেই জীবিকার তাগিদে তাপদাহ উপেক্ষা করেই বাধ্য হয়ে কাজে বের হয়েছেন। গরমের প্রভাব পড়েছে আসন্ন পয়লা বৈশাখ ও ঈদের কেনাকাটায়। বিপণিবিতানগুলোয় দিনের বেলায় লোক সমাগম কমে যায়। তবে সন্ধ্যার পর ভিড় বেড়েছে।
অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গায় প্রচণ্ড গরমে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রোজাদাররা বাড়ি থেকে বের হয়নি। রোদের কারণে শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান-রিকশাচালকরা গরমে অস্থির হয়ে পড়েন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষ।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘরে উঠতে পারে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, ‘তাপপ্রবাহের কারণে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। অতিপ্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতেও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। রোজাদারদের সন্ধ্যার পর থেকে বেশি বেশি পানি ও ফলমূল খেতে বলা হচ্ছে।’










