গতকাল সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নয়জন বাংলাদেশী নাগরিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি জানান, মর্মান্তিক এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ প্রদান ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতাসহ ভারত সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করণীয়, তা বাস্তবায়নে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বৈঠকটি একেবারেই সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফর বিষয়ে তাদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে ভারতীয় হাইকমিশনার জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য নয়াদিল্লি অপেক্ষা করছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এমএসএফের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবিক চিকিৎসা সংস্থা মেডিসিনস স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্সের (এমএসএফ) আন্তর্জাতিক সভাপতি ড. মোহাম্মদ জাভিদ আবদেলমোনেইমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। গতকাল সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশে এমএসএফের কার্যক্রম এবং চলমান সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।
এমএসএফ উল্লেখ করে, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচালিত কার্যক্রমের বাইরেও তাদের কাজের পরিধি বিস্তৃত। সংস্থাটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও সেবা প্রদান করে থাকে, এমনকি তাদের কোনো কোনো চিকিৎসা কেন্দ্রে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর রোগীর সংখ্যা প্রায় সমান। সাক্ষাৎকালে বর্তমান অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলোর মধ্যে জাতীয় কলেরার টিকাদান কর্মসূচি এবং চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
ভূমিকম্প ও রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে এমএসএফ সরকারের দুর্যোগ প্রস্তুতিবিষয়ক টাস্কফোর্সে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে।










