কেউ আধঘুমে, কেউবা সবে ঘুম থেকে উঠেছেন, কেউ নিত্য কাজকর্মে ব্যস্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের একটি আবাসিক ভবনের চিত্র এটি। হঠাৎ করেই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সবার মাথায় একটাই আতঙ্ক— এই ফিটনেসবিহীন ভবন সামান্য ঝাঁকুনিতেই ধসে পড়তে পারে। সাধারণ অবস্থাতেই কয়দিন পরপর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। তাই প্রাণ বাঁচাতে যে যেভাবে পেরেছে, দৌড়ে বিল্ডিংয়ের নিচে নেমে আসার চেষ্টা করেছে সবাই। আবাসিক ভবনটিতে শোনা গেছে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীদের বাঁচার আকুতি।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী। আর বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। এরইমধ্যে ভূমিকম্পে রাজধানীসহি বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

এ ভূমিকম্পে পুরান ঢাকার কসাইটুলিতে বিল্ডিংয়ের রেলিং ধসে তিন পথচারী নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পে নিহতদের মধ্যে একজন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের বায়ান্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম। তিনি বংশাল কসাইটুলীতে পরিবারসহ বসবাস করতেন।

এছাড়া ভূমিকম্পে ৫ ঢাবি শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।